May 27, 2024, 7:18 am
শিরোনাম :
পটুয়াখালীর উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় “রেমাল” এর অগ্রভাগ দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘন, পটুয়াখালী সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে কারন দর্শানোর নোটিশ জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে পটুয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে বৃষ্টি, তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত পায়রা বন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে গভীর নিম্নচাপটি ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, আঘাত হানবে বাংলাদেশ ও ভারতে আচরন বিধি লঙ্ঘন, দুমকিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদ হাওলাদারকে শোকজ বাউফলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু দুমকিতে মোশাররফ হত্যায় জড়িত আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ইউনিভার্সিটি অফ গ্লোবাল ভিলেজের শিক্ষার্থীদের পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন

শবে বরাতের রাতে করণীয় ও বর্জনীয়

সুনান বিন মাহাবুব, পটুয়াখালী অফিস:

শবে বরাতে আমাদের করণীয় 

হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, যখন শাবান মাস আগমন করত তখন রাসূল (সা.) বলতেন, এ মাসে তোমরা তোমাদের অন্তর্জগৎকে পূতপবিত্র করে নাও এবং নিয়তকে পরিশুদ্ধ ও সঠিক করে নাও। (তাবরানি)

অন্তরকে পূতপবিত্র করার কী অর্থ? এর অর্থ হল, বেশি বেশি নেক আমল করা ও তওবা- ইস্তেগফার করা। যখন শাবান মাস আসত, রাসূল (সা.) নফল আমলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন। দিনে রোজা রাখতেন এবং রাতে দীর্ঘ সময় নামাজ পড়তেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করো ও দিনে রোজা পালন করো। (সুনানে ইবনে মাজাহ)

এ রাতে বিশেষ করে আমরা কয়েকটি আমল করতে পারি।

১. বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা ২. জিকির-আজকার করা ৩. দীর্ঘসময় নিয়ে নফল নামাজ পড়া ৪. সালাতুত তাসবীহ পড়া ৫. বেশি বেশি  ইস্তেগফার করা ৬. অধিকপরিমাণে চোখের পানি ঝরিয়ে নিজের জন্য, সমস্ত মুসলমানের জন্য এবং মৃত আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করা। ৭. লায়লাতুল বরাতের পরের দিন রোজা রাখা ৮. একাকী কবর জিয়ারত করা।

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজী (সা.) এ রাতে মদিনার কবরস্থান ‘জান্নাতুল বাকি’তে গিয়ে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তিগফার করতেন।

তিনি আরও বলেন, নবীজী (সা.) তাকে বলেছেন, এ রাতে বনি কালবের ভেড়া-বকরির পশমের (সংখ্যার পরিমাণের) চেয়েও বেশিসংখ্যক গুণাহগারকে আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দেন। (তিরমিজি শরিফ, হাদিস: ৭৩৯)

ইমাম ইবনে রজব (রহ.)  বলেন, শবে বরাতে নফল নামাজের জন্য মসজিদে ভিড় করা কিংবা মাহফিল করা মাকরূহ। (নফল ইবাদাত-বন্দেগি করতে হবে নিজের ঘরে)

তিনি আরও বলেন, একজন মুমিন বান্দার উচিত, এ রাতে জিকির ও দোয়ার জন্য পুরোপুরি অবসর হয়ে যাওয়া।
উচিত হল, প্রথমে খাঁটি মনে তওবা করা; এরপর মাগফিরাত ও ক্ষমা প্রার্থনা করা; আপদ-বিপদ দূর হওয়ার জন্য দোয়া করা এবং নফল নামাজ বেশি বেশি পড়া।

সব সময় সে সব গোনাহ থেকে বিরত থাকা, বিশেষত যেগুলো এই রাতের  ফজিলত (ব্যাপক ক্ষমা) থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে। যেমন- শিরক, হত্যা, জিনা, হিংসা ইত্যাদি।

(সূত্র: লাতায়িফুল মাআরিফ ফীমা লিমাওয়াসিমিল ‘আমি মিনাল ওয়াযায়েফ)

শবে বরাতে যা করা যাবে না

১. এই রাতকে উপলক্ষ করে মসজিদে বিপুল পরিমাণ  কোনো জনসমাগমের আয়োজন করা যাবে না।

২. শুধু শবে বরাতকে কেন্দ্র করে মসজিদে বা ঘরে প্রয়োজন অতিরিক্ত লাইটিং করা যাবে না।

৩. ইবাদত মনে করে হালুয়া-রুটির আয়োজন করা যাবে না।

৪. ইবাদত মনে করে খাশি জবেহ করা যাবে না।

৫. আতশবাজি,পটকা ফোটানো যাবে না।

৬.  ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে অযথা  ঘোরাফেরা করা যাবে না।

৭. গর্হিত ও অশ্লীল কোনো কাজ করা যাবে না।

৮. অন্য কারও ইবাদতের বা ঘুমের বিঘ্ন ঘটানো যাবে না

৯. এবং দলবেঁধে কবরস্থানেও যাওয়া যাবে না।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা