May 27, 2024, 7:22 am
শিরোনাম :
পটুয়াখালীর উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় “রেমাল” এর অগ্রভাগ দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘন, পটুয়াখালী সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে কারন দর্শানোর নোটিশ জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে পটুয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে বৃষ্টি, তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত পায়রা বন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে গভীর নিম্নচাপটি ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, আঘাত হানবে বাংলাদেশ ও ভারতে আচরন বিধি লঙ্ঘন, দুমকিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদ হাওলাদারকে শোকজ বাউফলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু দুমকিতে মোশাররফ হত্যায় জড়িত আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ইউনিভার্সিটি অফ গ্লোবাল ভিলেজের শিক্ষার্থীদের পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন

চায়না দূয়ারী জালঃ নিধন হচ্ছে দেশি প্রজাতির মাছ

সুনান বিন মাহাবুব, পটুয়াখালী অফিস:

পটুয়াখালীর উপকূলজুড়ে চায়না দূয়ারী জাল দিয়ে খাল-বিলের দেশি প্রজাতির মাছ ধ্বংস করা হচ্ছে। ফলে দেশি প্রজাতির সকল ধরনের মাছের বংশ বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এক শ্রেণির জেলেরা বর্ষা মৌসুমে খালে-বিলে, নালায় এসব জাল পেতে সব ধরনের মাছের ছোট পোনা শিকার করছে।

জানা গেছে, চায়না দূয়ারী জাল কারেন্ট জালের মত মিহি ও হালকা এবং এই জাল সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে মাছ ধরতে সক্ষম। এই জালের বুননে একটি গিঁঠ থেকে আরেকটি গিঁঠের দূরত্ব খুব কম, যে কারণে এতে মাছ একবার ঢুকলে আর বের হতে পারে না। জেলেদের অনেকে এই জাল ব্যবহার করে খুশী। এদিকে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এ জাল মাছসহ জলজ জীববৈচিত্রের জন্য কারেন্ট জালের চাইতেও ক্ষতিকর।

দেখা গেছে, কলাপাড়া, রাঙ্গবালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের সকল খাল-বিলে এইসব জালের অবাধে ব্যবহার চলছে। প্রশাসন থেকে মাঝে মাঝে অপসারন করা হলেও আবার জেলেরা এসব জাল দিয়ে মৎস পোনা শিকার করছে। অথচ বাংলাদেশে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, উন্মুক্ত জলাশয়ে জন্মানো প্রতিটি মাছকে একবার ডিম ছাড়া ও বাচ্চা ফুটানোর সুযোগ দিতে হবে। তার আগে মাছের পোনা ধরা আইনত দ-নীয় একটি অপরাধ। কিন্তু চায়না দূয়ারী জাল দিয়ে দেশি মাছের পোনা ধরছে জেলেরা এবং স্থানীয় হাটে এসকল মাছ ২০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।

তবে এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় আমরা সারা বছরই কাজ করছি। যে সকল জেলেরা এই ধরনের কাজে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এভাবে ছোট মাছ ধ্বংস করা হলে দেশি মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। নির্বিচারে দেশীয় ছোট মাছ নিধন হলে ভবিষ্যতে মাছ খুজে পাওয়া মুশকিল হবে। আন্তর্জাতিক মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ফিস ইকো ফিস (২) এর সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, এই জালে দেশি প্রজাতির মাছের পোনা মারা যাচ্ছে। এখনি এধরণের জাল বন্ধ করা না গেলে ভবিষ্যতে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা