১৯৬ সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে দেড় কোটি টাকা অনুদান

স্টাফ রিপোর্টার 3
পটুয়াখালী বার্তা, পটুয়াখালী

তারিখ: ২০১৬-০৮-২৪ | সময়: ০৮:৪৭:৪০


ঢাকা অফিস ॥ কেউ এসেছিলেন ক্র্যাচে ভর দিয়ে, কেউ কৃত্রিম পায়ে হেঁটে। সাংবাদিক ছেলেকে হারিয়ে এসেছিলেন মা, স্বামীকে হারিয়ে এসেছিলেন বিধবা স্ত্রী। রোগে ভুগে কর্মক্ষমতা হারিয়ে এখন অসচ্ছল হয়ে পড়া সাংবাদিকরাও এসেছিলেন। সাংবাদিকতার মতো দায়িত্বশীল মহান এই পেশায় কর্মরত কিংবা এক সময়ের সংবাদকর্মীদের এমন অবস্থায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার হাত থেকেই তারা নিতে এসেছিলেন সহায়তা কিংবা অনুদানের চেক। মোট ১৯৬ জন দুস্থ, অসুস্থ, দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে ভিন্ন ভিন্ন অংকে মোট এক কোটি ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হলো। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে গতকাল বুধবার সকালে এই অনুদান হস্তান্তর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য সাংবাদিকরা, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব, আর সরকারের উর্ধ্বতনরা। অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই সবাইকে আপন করে নিয়ে ঘোষণা দিলেন, তিনি নিজেও গণমাধ্যম পরিবারেরই একজন সদস্য। নিজেকে গণমাধ্যম পরিবারের একজন হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে এ সম্পর্কে অনেক কথাই লিখেছেন। সেদিক থেকে আমিও গণমাধ্যম পরিবারেরই একজন সদস্য। শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ স্থাপনে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহ কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) কেউ আমাকে কোনো পরামর্শ দেয়নি। নিজ উদ্যোগে করেছি। এ বিষয়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম জাতির পিতার কাছ থেকে। কেননা জাতির পিতা সংবাদপত্রে কাজ করতেন। এর আগে সাংবাদিক নেতারা তাদের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রধান দুটি দাবি তুলে ধরেন যার একটি নবম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা আর ১৯৭৪ সালে গঠিত নিউজপেপার এমপ্লয়িজ সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন অ্যাক্ট-১৯৭৪ এর পুনর্বহাল। তারা বলেন, পৃথক ওই আইনটি প্রণয়ন করে জাতির জনক সংবাদপত্র তথা সাংবাদিকতা পেশাকে মর্যাদার আসনে তুলে এনেছিলেন। ২০০৬ সালে সাংবাদিকতাকে শ্রম আইনের আওতায় ফেলে ওই মর্যাদা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তারই জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডের কথা তিনি এরই মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে বলেছেন। তার কাছে সাংবাদিকদের চাইতে হয় না, নিজে থেকেই দেন, এই দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ স্থাপনে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহ কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) কেউ আমাকে কোনো পরামর্শ দেয়নি কেউ দাবিও জানাননি। ওই ট্রাস্টের আওতায়ই এ বছর ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হলো। যার প্রাথমিক তহবিল গঠনে ৫ কোটি টাকার সিড মানি প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিল থেকেই দেওয়া হয়েছে। অনুদান নিতে আসা প্রত্যেক সাংবাদিক কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাউকে কাউকে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরেন। কারো কথা আগ্রহ ভরে শোনেন। এর আগে দেওয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। অনেক সংবাদপত্র, টেলিভিশনের মালিক রয়েছেন তাদের কাছে কোটি টাকা দান কোনও বিষয়ই নয়। তাদেরও আগ্রহী করে তুলতে হবে। এ জন্যে প্রয়োজনে নিজেই এ ধরনের তহবিল গঠন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, এই ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি উপস্থিত থাকলে কেউ কম টাকার চেক নিয়ে আসতে পারবেন না। অনুষ্ঠানে ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর হাতে ১০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর চেয়েও বড় অংকের চেক আসতে পারে। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও কাজের ধরন নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা অবশ্যই রয়েছে, কিন্তু সে স্বাধীনতা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উপভোগ করতে হবে। সরকারের সমালোচনা আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যত খুশি সমালোচনা করুন, আপত্তি নাই। তবে সে সমালোচনা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে। গণমাধ্যমের সমালোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমি যে কোনও ভুল সংশোধন করতে চাই। তবে সংবাদমাধ্যমগুলোই তাদের কাজে ভুল করে, এই মত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন হলি আর্টিজানে আমরা দেখেছি হামলা হওয়ার পর কোনও কোনও টেলিভিশন চ্যানেল কিভাবে অভিযান চালানো হবে, পুলিশসহ অন্য বাহিনীর সদস্যরা কিভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে তাও জানিয়ে দিয়েছে। এতে ভেতরে জঙ্গিরাও টেলিভিশন দেখে সতর্ক হয়ে যেতে পারে। আর তাছাড়া কে কোথায় পালিয়ে রয়েছে তাও যখন সংবাদ হয়ে যায় তখন জঙ্গিরাতো তাদের বের করে হত্যা করতেও পারে। এসব ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, খবরে মৃতদেহের বিভৎস সব ছবি দেখানো হয়। ইউরোপ, আমেরিকায় এমন হত্যাকা- এখন প্রায়শই ঘটছে, কিন্তু বিশ্বের বড় বড় সংবাদমাধ্যম বিবিসি, সিএনএন তা দেখাচ্ছে না। এগুলোর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। অনলাইনে আজকাল অনেক সংবাদমাধ্যম আসছে, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকার জন্যে নীতিমালা করা জরুরি। তিনি বলেন, অনলাইন পত্রিকা ব্যাপকভাবে বের হচ্ছে। তবে এর কোনো নীতিমালা নেই। সবাইকে একটা নীতিমালায় আসতে হবে। ইতোমধ্যে আমরা এবিষয়ে কাজ শুরু করেছি। শেখ হাসিনা বলেন, কেউ যাতে অশ্লীলতা ছড়াতে না পারে সে বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আশা করি খুব তাড়াতাড়ি অনলাইন পত্রিকার নীতিমালা করে ফেলবো। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই- আমাদের দেশে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা হোক। সমালোচনা গঠনমূলক হতে হবে, শিক্ষণীয় হতে হবে। সাংবাদিক হত্যার বিচারের দাবিও ওঠে সাংবাদিক নেতাদের পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক হত্যার বিচারের জন্যে সবার সহযোগিতা দরকার। এরইমধ্যে এক সাংবাদিক হত্যার বিচার হয়েছে। অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি বলেন, আমি নিজেই আমার পরিবারের সকল সদস্যকে হারিয়েছি। তাদের হত্যার বিচার করতে আমার দীর্ঘ সময় লেগেছে। সাংবাদিকদের হত্যারও বিচার হবে। বিএনপির নতুন কমিটিতে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের থাকার প্রসঙ্গ তুলে দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে কি না- সে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় সমালোচনা যেন গঠনমূলক হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখারও পরামর্শ দেন তিনি। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অনুমোদিত বিএনপির স্থায়ী কমিটি, ৭৩ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ ও ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে জায়গা পেয়েছে মৃত্যুদ-ে দ-িত যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আমৃত্যু কারাদ-ে দ-িত প্রয়াত আব্দুল আলীমের ছেলে। অনুষ্ঠানে নতুন কমিটিতে কারা স্থান পেয়েছে- সে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব যুদ্ধাপরাধী, বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের সাথে জড়িত, এদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগিতা করেছে, যাদের বিচার হয়েছে বাংলার মাটিতে; তাদেরই বংশধর, তাদেরই ছেলেপেলে, তাদেরকে নিয়ে যদি কোনো দল গঠন করা হয়, তাহলে সেই দল কি এই দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে? সেই দল কি এদেশের মানুষের জন্য শান্তি আনতে পারে? শেখ হাসিনা বলেন, তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, তারা দেশের মানুষের শান্তিতে বিশ্বাস করে না, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না, এটা হল বাস্তবতা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করতে অর্থ ঢেলে বিদেশে লবিং করার অভিযোগ তুলে বিচার চলতে থাকবে বলে জানান তিনি। আমাদের যে সিদ্ধান্ত তাতে আমাদের অটল থাকতে হবে। আপনারা জানেন যে, আমরা তাতে থাকবো। কারণ আমার ক্ষমতা হারানোরও ভয় নেই, জীবন হারানোরও ভয় নেই। শেখ হাসিনা এসময় জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, কিন্তু এখানে অনেক বিভৎস ঘটনা দেখি, যেটা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য না। জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আজকে সমগ্র জাতি সোচ্চার। আপনাদেরও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই যে, আপনারাও এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন; আরও সোচ্চার হবেন- সেটাই আমি আশা করি। জনগণের মাঝে যদি আমরা সচেতনতা গড়তে পারি তাহলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রধানমন্ত্রী এসময় দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বিজয়ী জাতি হিসেবে আমাদের মাথা উচু করে চলতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন নীতি সহায়তা ও আবাসন সুবিধাসহ তার সরকারের বেশকিছু পদক্ষেপও তুলে ধরেন।
৯ম ওয়েজ বোর্ড দাবি সাংবাদিক নেতাদের: সংবাদপত্রে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও নিউজ পেপার এমপ্লোয়িজ অ্যাক্ট ১৯৭৪ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। সকাল পৌনে ১১টার দিকে তথ্যসচিব মরতুজা আহমেদের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৌধুরী বলেন, নিউজ পেপার এমপ্লয়িজ সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন অ্যাক্টের অধীনে সাতটি ওয়েজ বোর্ড দেওয়া হয়। সাংবাদিকদের মর্যাদা দেওয়া হয়। কিন্তু ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়ত সরকার সংবাদপত্রকে শ্রম আইনের আওতায় নিয়ে আসে। আমাদের মর্যাদা কেড়ে নেয়। আমরা ’৭৪ সালের আইনটি ফিরে পেতে চাই। বিএফইউজে সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আমাদের মর্যাদা বাড়িয়েছে। এ থেকে অস্বচ্ছল, অসহায় ও দুর্ঘটনা আহত কিংবা নিহতদের পরিবারের সদস্যরা সহায়তা পাবেন। এছাড়া নিউজ পেপার এমপ্লোয়িজ অ্যাক্ট পুনর্হাল করে তাতে ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াসহ সব মিডিয়াকে অন্তভুক্ত করারও চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের তহবিলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও অর্থ প্রদান করতে পারে। বিভিন্ন ব্যবসা কিংবা শিল্প প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও তাদের সিএসআর ফান্ড থেকে এই তহবিলে সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান এই সাংবাদিক নেতা। সংগঠনের মহাসচিব ওমর ফারুক বলেন, সংবাদপত্রে কর্মরতদের জন্যে নিউজ পেপার এমপ্লোয়িজ অ্যাক্ট-১৯৭৪ পুনবর্হালের দাবি জানাচ্ছি। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শাবান মাহমুদ বলেন, দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার হীন চেষ্টা চলছে। আমরা এর বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন করতে চাই। ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের জন্যে অষ্টম ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান তা বাস্তবায়নও করেছে। সংবাদকর্মীদের জন্যে সমন্বিত নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের দাবি জানাই। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কে এম রহমত উল্লাহ, তথ্য সচিব মরতুজা আহমদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল ও ওমর ফারুক এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ ও সোহেল হায়দার চৌধুরী। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় প্রথমবারের মতো ১৯৬ জন দুস্থ, অসুস্থ, দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে এবছর এক কোটি ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হলো। বিভিন্ন বিভাগীয় ও প্রধান জেলাশহরের প্রতিনিধিরা সেখানকার অসচ্ছল সাংবাদিকদের চেক গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে সাংবাদিক সহায়তা অনুদান ও ভাতা দেওয়ার এই নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার।

 





Comment Disabled

Comments