মির্জাগঞ্জে দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ করেনি

atikul Alam
পটুয়াখালী বার্তা, পটুয়াখালী

তারিখ: ২০১৮-০৫-০৯ | সময়: ০৯:০৪:১২

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ২০১৮ সালের দাখিল পরীক্ষায় ২টি মাদ্রাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি। এরমধ্যে উত্তর ঘটকের আন্দুয়া ফাজিল মাদ্রসা থেকে ৬ জন এবং কপালভেড়া মহিলা আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৬ জনসহ মোট ২২ পরিক্ষার্থী দাখিল পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন পরিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়নি। এমনকি মির্জাগঞ্জের ২৯টি মাদ্রাসা এবারে দাখিল পরিক্ষায় ফল বিপর্যয়ে পড়েছে। ৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন করেও পাশ করেছে। এদিকে এসএসসি ভোকেশনালের ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৮৮জন পরিক্ষার্থীদের মধ্যে পাশ করেছে ৫৪জন পরিক্ষার্থী। এসব প্রতিষ্ঠানে সরকার মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা শিক্ষকদের বেতন-বোনাস দিলেও প্রতিষ্ঠানের কোন উন্নতি হচ্ছে না। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে,এবারে মির্জাগঞ্জে দাখিল পরিক্ষায় ৪৮৬ জন পরিক্ষার্থী পরিক্ষা দিলে পাশ করেছে ১২৪ জন পরিক্ষার্থী। এরমধ্যে সুবিদখালী দারুসসুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৫ জনে মধ্যে ৮ জনে পাশ,পশ্চিম সুবিদখালী আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৬ জনে ৩ জন পাশ, চৈতা নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৮ জনে ২ জন পাশ,রামপুর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনে ৮ জন পাশ,মানসুরাবাদ ইসলামিয়া আঃ মাঃ মাদ্রাসা থেকে ১৪ জনে ৭ জন পাশ,মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ৪৪ জনে ১০ জন পাশ,ভাজনা কদমতলা নূরিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৪ জনে ৫ জন পাশ,আমড়াগাছিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জনে ১ জন পাশ,ময়দা সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনে ৪ জন পাশ,সুবিদখালী খাতুনে জান্নাত বালিকা মাদ্রাসা থেকে ১৪ জনে ৫ জন পাশ,চত্রা ওলামা মঞ্জিল আল আমিন মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনে ৪ জন পাশ,দক্ষিন গাবুয়া হাঃ সাঃ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জনে ১ জন পাশ,গাজীপুরা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনে ২ জন পাশ, বাজিতা সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৬ জনে ৬ জন পাশ,কানকিরামপুর মাছুমিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জনে ৫ জন পাশ,উত্তর চৈতা আহম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৭ জনে ১ জন পাশ,সুলতানাবাদ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জনে ৩ জন পাশ,মজিদবাড়িয়া হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২২ জনে ৬ জন পাশ,উত্তর চালিতাবুনিয়া শরাফতিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২১ জনে ৩ জন পাশ,দক্ষিন মজিদবাড়িয়া এস,ডি মাদ্রাসা থেকে ২২ জনে ৫ জন পাশ,কলাগাছিয়া আছমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৪৬ জনে ১৭ জন পাশ,পশ্চিম কালিকাপুর হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮ জনে ২ জন পাশ,ইসলামাবাদ মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জনে ১ জন পাশ,ভিকাখালী নূরুমিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৩ জনে ১০ জন পাশ,আন্দুয়া আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জনে ৪ জন পাশ এবং পূর্ব আন্দুয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জনে ১ জন পরিক্ষার্থী পাশ করেছে। এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী মোঃ সাইফুদ্দিন ওয়ালিদ বলেন, এ ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষকদের কিছু গাফলতি তো রয়েছিই। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামীতে এসকল সমস্যা কাটিয়ে উঠে পরিক্ষার্থীরা ভালো ফল করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন,উপজেলার সকল মাদ্রাসা প্রধানদের নিয়ে দাখিলে কেন ফল বিপর্যয় হয়েছে তা জানতে তাদেরকে নিয়ে অতিশিঘ্রই মিটিং করা হবে। যে প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ করেনি এবং এক-দুই জন পাশ করেছে ওইসকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।





Comment Disabled

Comments